টমেটো সস যেভাবে এলো

টমেটো সস আমাদের প্রায় সবারই প্রিয় একটা খাবার। সিঙ্গারা, পুরি, সামুচা থেকে শুরু করে নুডলস, বার্গার, স্যান্ডউইচ, পিৎজাসহ সবধরণের জাংক ফুডের সাথে টমেটো সস যেনো  না হলেই নয়।

আজকে আমরা টমেটো সসের ইতিহাস জানবো। শুনলে অবাক লাগবে যে একেবারে শুরুর দিকে সস বলতে টমেটো সস ছিলো না।

Photo Source: Vegrecipesofindia.com

টমেটো সস বা এটাকে আমরা টমেটো কেচাপ বলতে পারি। এই কেচাপ শব্দটি এসেছে চীনের ‘কে-টসিয়াপ’ শব্দ থেকে। যার অর্থ হচ্ছে মাছের সস। হ্যাঁ, শুরুর দিকে এটা মাছের সস হিসেবেই ছিলো। টমেটর কোন নামগন্ধ ছিলোনা। ধীরে ধীরে এই খাবার ছরিয়ে পরতে থাকলো ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার দিকে এবং অঞ্চলগুলোতে খুব জনপ্রীয়তাও পায়। মালয়েশিয়াতে এসে এই খাবারের নাম হয় ‘কেচাপ’।

সতেরো-শতকের দিকে একজন ইংরেজ নাবিক এই সসের সন্ধান পায়। তিনি এটাকে পশ্চিমা বিশ্বে নিয়ে আসেন। পশ্চিমা বিশ্বে এই খাবার আসার পর প্রথমবার এই খাবার তৈরীতে অন্যান্য উপাদানের সাথে মাশরুম ব্যবহার করা হয়।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকরা এই মাশরুম সস নিয়ে আসে মার্কিন মুল্লুকে। আমেরিকায় আসার পর থেকে এই মাশরুম সসের রেসিপি বিভিন্নভাবে বদলাতে থাকে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা ছিলো এই সস তৈরীতে টমেটোর ব্যবহার। ১৮০১ সালে স্যান্ডি অ্যাডিসন তার লেখা বই ‘দ্যি সুগার হাউজ বুক’ এ প্রথম এই ধরণের টমেট সসের রেসিপির কথা উল্লেখ করেন।

আর বাণিজ্যিকভাবে বোতলে করে টমেটো সস বিক্রির কৃতিত্বতা একজন কৃষকের। তার নাম জোনাস ইয়েরকস। তিনি ১৮৩৭ সালের দিকে বোতলে করে টমেটো সস বিক্রি শুরু করেছিলেন।

 

Feature Photo Source: Headbangerskitchen.com

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *