কেমোথেরাপি : একটি চিকিৎসা পদ্ধতি নাকি রমরমা ব্যবসা

ক্যান্সার রোগটা যেমন জটিল এর চিকিৎসা পদ্ধতিটাও ঠিক ততটা জটিল। এই রোগ শুধুমাত্র একটা মানুষকে মৃত্যুর দিক ঠেলে দেয় যে তাই নয়, একটা পুরো পরিবারকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে দেয়। তাও যদি প্রিয় মানুষটাকে নিজেদের মাঝে ফিরে পাওয়া যেতো তাহলে এই অর্থ ব্যয় মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু না, ৯৭% সময় আমাদের প্রচলিত কেমোথেরাপি পদ্ধতি ব্যর্থ হয় রোগীকে বাঁচাতে। তাও এইটাই আমাদের সময়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় চিকিৎসাপদ্ধতি ক্যান্সারের জন্য। প্রায় সব ডাক্তারের চোখে একমাত্র চিকিৎসা পদ্ধতিও বটে।

কিন্তু আমি যদি বলি এই কেমোথেরাপির মূল উদ্দেশ্য রোগীকে বাঁচানো নয় মূলত বিপুল পরিমাণ আয় করা তাহলে? ভয়ানক শোনালেও এইটাই বাস্তবতা! জ্বী হ্যা, প্রিয় মানুষকে বাচাঁনোর আশায় আমরা তাদের যে চিকিৎসা দেই তা আসলে চিকিৎসা নয় শুধুমাত্র ডাকাতি। চিকিৎসা ব্যবসায় জীবন টাকার মতন মূল্যবান না। কেমোথেরাপি কিংবা রেডিয়েশন দিয়ে বর্তমানে যে চিকিৎসা দেওয়া হয় তা আসলে একটা স্ক্যাম ছাড়া কিছুই না। এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কিংবা কার্যকারিতা বিবেচনা করলে এইটা আসলেই অনুপযোগী। বিশেষ করে বর্তমান সময়ে যখন এরচেয়েও কার্যকরী ও সহজলভ্য ঔষধ কিংবা চিকিৎসা পদ্ধতি রয়েছে। কিন্তু তাও ডাক্তাররা আমাদের সেদিকে যেতে দিবেন না কারন এতে তাদের ব্যবসার বড় ক্ষতি হয়ে যাবে যে। তবে বেশ কিছু সচেতন ডাক্তাররা এগিয়ে আসছেন এইধরনের নোংরা ব্যবসা কিংবা সোজা ভাষায় ডাকাতির বিরুদ্ধে। তারা নিজেদের মুখ খুলতে শুরু করেছেন এবং আমরা কি পরিমাণ জঘন্য স্ক্যামের ভিতর দিয়ে যাচ্ছি সে বিষয়ে অবগত করছেন। এমন একজন নামকরা ডাক্তার পিটার গ্লিডেন বলছেন, “The only reason chemotherapy is used is because doctors make money from it — period. It doesn’t work 97 percent of the time. If Ford Motor Company made an automobile that exploded 97 percent of the time, would they still be in business?”

এছাড়া কেমোথেরাপির ফলে মারাত্মক টিউমার হতে পারে ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর। এলবার্ট আইন্সটাইন কলেজ অফ মেডিসিনের একটি রিসার্চে ব্যাপারটি প্রমাণিত হয়েছে। কেমোথেরাপি ক্যান্সারের ফলে হওয়া টিউমারকে সংকুচিত করে, সম্পূর্ণ ধ্বংস করতে পারে না। এর ফলে ক্যান্সার সেল গুলো ধ্বংস না হয়ে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে। এবং এই সেল গুলো থেকে নতুন টিউমার তৈরি হয়। কিন্তু তাও এই চিকিৎসার নামে ডাকাতি ততদিন থামবেনা যতদিন আমরা সচেতন হবো না। বিলিয়ন ডলারের এই ব্যবসার কাছে মানুষের জীবন তুচ্ছ, কিন্তু আমাদের কাছে কি প্রিয়জনের জীবনটা তুচ্ছ? তাই ভাবার সময় চলে এসেছে কেমোথেরাপির মতন একটা স্ক্যামের পিছে আমরা টাকা ব্যয় করবো নাকি বিকল্প ও কার্যকরি পদ্ধতির দিকে নজর দিবো।

Feature Photo Source: Renegadetribune.com

Leave a comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *